Add Post Here

Add Post Here

Breaking news

যে ৪ কাজ বর্জন করা মুমিনের জন্য জরুরি
যে ৪ কাজ বর্জন করা মুমিনের জন্য জরুরি

যে ৪ কাজ বর্জন করা মুমিনের জন্য জরুরি

আল্লাহ তাআলা মুসলমান তাকওয়াবান বান্দার কল্যাণে পবিত্র কুরআনুল কারিম নাজিল করেছেন। হালাল-হারাম, বৈধ-অবৈধ, ইতিবাচক-নেতিবাচক ইত্যাদি বিষয় কুরআন ও হাদিসের মাধ্যমে মুসলিম উম্মাহর নিকট বিস্তারিত বর্ণনা করেছেন।

এত কিছুর পরেও মুমিন মুসলমান তাকওয়াবান ব্যক্তিদের মধ্যেও অনেক সময় আল্লাহর হুকুম পালনে অলসতা ও গাফলতি পরিলক্ষিত হয়। যে অবহেলা ও গাফলতিগুলো আল্লাহ তাআলা পছন্দ করেন না। বিশেষ করে মুসলিম উম্মাহর ৪টি কাজকে আল্লাহ তাআলা পছন্দ করেন না। আর তা হলো-

>> নামাজে অবহেলা করা
নামাজের সময় হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে নির্দিষ্ট সময়ে নামাজ না পড়ে দেরি করা বা নামাজ পড়তে অবহেলা করাকে আল্লাহ তাআল অপছন্দ করেন।

আল্লাহ তাআলা মানুষের জন্য পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ ফরজ করে তা যথা সময়ে পড়ার নির্দেশ প্রদান করেছেন। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘জমিন ও আসমানের সব প্রশংসা একমাত্র তাঁরই। অতএব তোমরা আল্লাহর তাসবিহ কর (নামাজ পড়) সন্ধ্যায় (মাগরিব ও এশা) ও প্রত্যুষে (ফজর) এবং বিকেলে (আসর) ও দ্বিপ্রহরে (জোহর)।’ (সুরায় রুম : আয়াত ১৭-১৮)

মুমিন বান্দা যাতে নামাজে অবহেলা প্রদর্শন না নির্দিষ্ট সময়ে নামাজ আদায় করে সে ব্যাপারেও সুস্পষ্ট নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে। আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘নিশ্চয়ই নামাজ মুমিনদের ওপর সময়ের ভিত্তিতে ফরজ করা হয়েছে।’ (সুরা নিসা : আয়াত ১০৩)

>> কুরআন পড়ার সময় অযথা কথা বলা
কুরআন তিলাওয়াতের সময় অযথা কথাবার্তা বলা আল্লাহ তাআলা পছন্দ করেন না। কারণ কুরআন মুমিনের জন্য রহমতস্বরুপ। তবে কুরআনের পরিপূর্ণ রহমত লাভে কিছু আদব রয়েছে। আর তার অন্যতম হলো কুরআন তিলাওয়াত করার সময় মনোযোগের সঙ্গে শ্রবণ করা।

কুরআন তিলাওয়াত করার সময় অযথা কথাবার্তা ও শোরগোল না করে মনোযোগের সঙ্গে কুরআনের তিলাওয়াত শ্রবণ করার ব্যাপারে আল্লাহ তাআলা বলেন, ‘আর যখন কুরআন পড়া হয় তখন তাতে কান লাগিয়ে রাখ (মনোযোগ দিয়ে শোন) এবং চুপ থাক; যাতে তোমাদের রহমত বা দয়া প্রাপ্ত হও। (সুরা আরাফ : আয়াত ২০৪)

>> রোজা পালন কালে স্ত্রী সহবাস করা
আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহর জন্য রোজা পালন অবস্থায় স্ত্রীদের সঙ্গে সহবাস করাকে পছন্দ করেন না। কারণ রোজা অবস্থায় স্ত্রীর সঙ্গে সহবাস করলে রোজা ভেঙে যায়। দিনের বেলায় পানাহার ও স্ত্রী সম্ভোগ থেকে বিরত থাকার নামই হলো রোজা পালন।

>> কবরস্থানে বসে হাসাহাসি করা
কবরস্থানে বসে হাসাহাসি করা আল্লাহ তাআলা পছন্দ করেন না। কারণ মৃত্যু ও কবরস্থান মানুষকে পরকালের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়। অন্যায় কাজ থেকে বিরত থাকতে প্রেরণা যোগায়। সে কারণে কবরস্থানে হাসাহাসি করাও আল্লাহ তাআলা পছন্দ করেন না। সেখানে না মৃত্যুর কথা স্মরণ করাই মুমিন বান্দার জন্য শ্রেয়।

আল্লাহ তাআলা মুসলিম উম্মাহকে যথা সময়ে নামাজ আদায়, মনোযোগের সঙ্গে কুরআন তিলাওয়াত শ্রবণ, রোজা অবস্থায় স্ত্রী সহবাস থেকে বিরত থাকা এবং কবরস্থানে হাসাহাসি না করে আল্লাহ স্মরণ করাসহ তার যাবতীয় বিধি-নিষেধ মেনে চলার তাওফিক দান করুন। আমিন।

Published: 2019-07-16 18:34:57   |   View: 1199   |  
Copyright © 2017 , Design & Developed By maa-it.com



up-arrow